
I have been working for a long time to provide safe food from the remote regions of the Sundarbans in Satkhira.
আমি আশিক সবুজ। দীর্ঘদিন যাবৎ আমি সাতক্ষীরার সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নিরাপদ, খাঁটি ও প্রাকৃতিক খাদ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।
আমাদের এই পথচলার শুরু একটি সহজ বিশ্বাস থেকে— প্রত্যেক মানুষেরই অধিকার আছে ভেজালমুক্ত, স্বাস্থ্যকর এবং বিশ্বাসযোগ্য খাদ্য পাওয়ার। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করে আমরা সেই খাদ্য সংগ্রহ করি, যা প্রকৃতির নিয়ম মেনেই উৎপাদিত।
এটি শুধু একটি ব্যবসা নয়—
এটি একটি দায়িত্ব, এটি একটি স্বপ্ন, এবং এটি প্রকৃতি ও মানুষের মাঝে একটি সেতুবন্ধন।
আপনাদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস নিয়েই আমরা এগিয়ে যেতে চাই আরও দূরে, আরও দৃঢ়ভাবে— নিরাপদ খাদ্যের প্রতিশ্রুতি নিয়ে।
আন্তরিক শুভেচ্ছাসহ
আশিক সবুজ
প্রতিষ্ঠাতা




জাতীয় পর্যায়ের মৌমাছি ও মধু বিষয়ক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন হলি এগ্রোর প্রতিষ্ঠাতা আশিক সবুজ। এই সম্মেলনে তিনি খাঁটি ও ভেজালমুক্ত মধু উৎপাদনের গুরুত্ব, আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক মৌমাছি পালন পদ্ধতি এবং মধু শিল্পে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
বক্তব্যে তিনি তাঁর দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে মধু উৎপাদনের মান নিয়ন্ত্রণ, বাজার ব্যবস্থাপনা, মৌচাষিদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। একই সঙ্গে মধু খাতে উদ্যোক্তাদের জন্য সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়েও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এই ধরনের সম্মেলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে হলি এগ্রো মধু শিল্পের উন্নয়ন, সচেতনতা সৃষ্টি এবং একটি স্বচ্ছ ও টেকসই মধু সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
হলি এগো দীর্ঘদিন ধরে খাঁটি ও ভেজালমুক্ত মধু উৎপাদন ও সরবরাহে নির্ভরযোগ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন, সারা দেশ থেকে মৌসুমি মধু সংগ্রহ এবং মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমরা দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে মানসম্মত মধু সরবরাহ নিশ্চিত করছি। একই সঙ্গে এই খাতে সৃষ্টি করছি টেকসই কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন।







